ছাত্রজীবনে 10টি সেরা পার্ট টাইম চাকরি

ছাত্রজীবনে 10টি সেরা পার্ট টাইম চাকরি বন্ধুরা আমাদের আজকের ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি আর্টিকেলটি হলো তাদের জন্য যারা পড়াশুনার পাশাপাশি অতিরিক্ত কিছু অর্থ উপার্জন করতে চান । এবং নিজেদের খরচ ও পড়াশোনার খরচ বহন করতে চান তাদের জন্য আজকের আর্টিকেলটি অনেক হেল্পফুল হবে ।

পড়াশোনা করার পাশাপাশি যদি ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করে কিছু টাকা উপার্জন করা যায় তাহলে সেটি ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনায় খরচ বহন করতে যেমন সাহায্য করবে ঠিক তেমনি ছাত্র-ছাত্রীরা টাকা-পয়সা সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে ।

যা তাদের পরবর্তী চাকরি ও ব্যবসায়িক ক্যারিয়ারে উন্নতির জন্য ব্যাপক ভূমিকা রাখবে । মানি ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে ছাত্রছাত্রীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে ।

এছাড়াও ছাত্রজীবন থেকে পার্ট টাইম চাকরি করে নিজের পড়াশুনার খরচ বহন করতে পারলে নিজের মধ্যে একটি দায়িত্ব নেওয়ার ক্ষমতা চলে আসে । যা ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে দায়িত্বশীল মনোভাব তৈরি করবে ।

আজকের আর্টিকেলে আপনাদের সাথে এমন কিছু দারুন ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করার আইডিয়া শেয়ার করব যেগুলো করে ছাত্রছাত্রীরা তাদের পড়াশোনার পাশাপাশি কিছু অর্থ উপার্জন করতে পারবে।

তাহলে চলুন বন্ধুরা আর কথা না বাড়িয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুরু করা যাক ।

ছাত্রজীবনে 10টি সেরা পার্ট টাইম চাকরি

পার্ট টাইম চাকরি কি ? 

 

পার্টটাইম একটি ইংরেজী শব্দ যার বাংলা প্রতিশব্দ হচ্ছে সময়ের অংশ । আমরা জানি এক দিন সমান ২৪ ঘন্টা এবং এই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কিছুটা সময় বের করে কোনো একটি কাজে কয়েক ঘন্টা সময় ব্যয় করে অর্থ উপার্জন করাকেই পার্ট টাইম জব বলা হয় । 

 

আর ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের পড়াশোনার পাশাপাশি কিছুটা সময় বের করে কোন চাকরি করে সেখান থেকে অর্থ উপার্জন করাকেই মূলত ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি বলা হয় । 

 

পার্ট টাইম চাকরির প্রকারভেদ 

 

ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি আপনি প্রধানত দুটি উপায় অবলম্বন করে করতে পারবেন ।  

 

তাদের মধ্যে অন্যতম দুটি উপায় হল :

 

  • অনলাইন পার্ট টাইম চাকরি এবং
  • অফলাইন পার্ট টাইম চাকরি

 

অনলাইন এবং অফলাইন এই দুটি মাধ্যমে একজন ছাত্র ও ছাত্রী ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করে পড়াশোনার পাশাপাশি অতিরিক্ত কিছু অর্থ উপার্জন করতে পারবে । 

 

তাই আমাদের আজকের আর্টিকেলে আমরা অনলাইন এবং অফলাইন উপায়কে ব্যবহার করে কিভাবে ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করব ।  

 

তাই ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে হলে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন ।

ছাত্রজীবনে 10টি সেরা পার্ট টাইম চাকরি

অনলাইনে ঘরে বসে পার্ট টাইম জব ২০২২

 

বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগ এবং এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে অনলাইনের প্রসারতা দিনদিন জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে ।  তাই এখন অনলাইনের মাধ্যমে ব্যবসা ও চাকরি করার প্রবণতাটাও বেড়েছে ।  

 

আজকের আর্টিকেলের এই অংশে আপনাদের সাথে কিছু ঘরে বসে অনলাইনে পার্ট টাইম চাকরি করা যায় এমন আইডিয়া শেয়ার করব ।  

 

 

তাহলে বন্ধুরা চলুন দেখে নেয়া যাক অনলাইনে ঘরে বসে পার্ট টাইম জব গুলো :

 

১/ ব্লগিং করে ইনকাম 

 

বর্তমানে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করা বা টাকা ইনকাম করার হাজার হাজার উপায় রয়েছে ।  কিন্তু তাদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি উপায় হচ্ছে ব্লগিং করে অর্থ উপার্জন করা ।  

 

অনলাইনে ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করা বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ট্রেন্ডিং একটি উপায় হয়ে উঠেছে ।

 

আপনি যে বর্তমানে আমার এই ব্লগ পোস্টটি পড়ছেন তার মাধ্যমেও আমি অর্থ উপার্জন করছি । আপনি হয়তো আমার এই ব্লগ পোস্টের মধ্যে নানান ধরনের বিজ্ঞাপন দেখতে পাচ্ছেন ।  

 

মূলত আমি এই বিজ্ঞাপনগুলোর মাধ্যমেই আমার ব্লগ ওয়েবসাইট থেকে অর্থ উপার্জন হচ্ছে ।

 

ব্লগিং করে আরও নানান উপায়ে অর্থ উপার্জন করা যায় যেমন : আফিলিয়েট মারকেটিং , গুগল এডসেন্স সাবস্ক্রিপশন , স্পনসর , লোকাল বিজ্ঞাপন , প্রমোটিং ইত্যাদি উপায় অবলম্বন করে ব্লগিংয়ের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা যায় ।

 

তবে সবচেয়ে বর্তমানে জনপ্রিয় হচ্ছে গুগল এডসেন্স ও এফিলিয়েট মার্কেটিং ।   বর্তমানে সারাবিশ্বের ব্লগাররা তাদের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে ।

 

ব্লগিং আপনি দুটি উপায়ে করতে পারেন । যেমন : 

১/  ওয়েবসাইটের লেখালেখির মাধ্যমে ব্লগিং করা এবং

২/   ভিডিও ব্লগিং করা ।

 

লিখালিখি করে ব্লগিং করতে হলে আপনার অবশ্যই একটি ওয়েবসাইটের প্রয়োজন হবে ।  অন্যদিকে আপনি যদি ভিডিও ব্লগিং করতে চান সেক্ষেত্রে আপনি ইউটিউব , ফেইসবুক , টিকটক , ইনস্টাগ্রাম  ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ব্যবহার করতে পারেন ।

 

তাই আপনি যদি একজন লেখক হয়ে থাকেন অথবা লেখালেখি যদি আপনার শখ হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে আপনি এই শখের কাজটিকে কাজে লাগিয়ে অর্থ উপার্জনের একটি মাধ্যম তৈরি করতে পারেন ।

ছাত্রজীবনে 10টি সেরা পার্ট টাইম চাকরি

 ব্লগিং করার জন্য যা যা দরকার :

  •  একটি প্রফেশনাল ব্লগিং ওয়েবসাইট ।
  •  কানেকশন যুক্ত কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ প্রয়োজন হবে ।
  •  আর্টিকেল লেখার উপর নিজেকে দক্ষ করে তোলা ।
  •  এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কাজে নিজেকে দক্ষ করতে হবে ।

 

উপরোক্ত এই কাজগুলো শিখে নিতে পারলে আপনি ব্লগিং করে দ্রুতই সফল হতে পারবেন ।  এবং ঘরে বসেই  ব্লগিং করার মাধ্যমে ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করতে পারবেন ।

 

২/ কনটেন্ট রাইটিং পার্ট টাইম জবস

 

আপনি যদি কোন একটি বিষয়কে ভালোভাবে গুছিয়ে আর্টিকেল আকারে লিখতে পারেন তাহলে কনটেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে পার্ট টাইম জব করতে পারেন । 

 

ইন্টারনেটে কোটি কোটি ওয়েবসাইট রয়েছে এবং এইসব ওয়েবসাইটের জন্য প্রতিনিয়ত শত শত আর্টিকেল এর প্রয়োজন হয় ।

 

এবং এই আর্টিকেলগুলো লিখে থাকেন বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট রাইটাররা ।  যার ফলে কনটেন্ট রাইটারদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে । বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে কন্টেন্ট রাইটিং এর উপর প্রচুর কাজ পাওয়া যায় ।

 

বিশেষ করে আপনি যদি ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হয়ে থাকেন এবং কোন গ্রামাটিক্যাল ভুল যদি আপনার লেখায় না থাকে তাহলে আপনি সহজেই কন্টেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে একটি সুন্দর ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবেন ।

 

এর কারণ হচ্ছে ইংরেজি ভাষায় একটি ১০০০ শব্দের আর্টিকেল লিখে দেওয়ার বিপরীতে মার্কেটপ্লেসগুলোতে প্রায় ৫০ থেকে ২০০ ডলার  পর্যন্ত আয় করা যায় । 

 

এছাড়াও আপনি যদি ইংরেজি ভাষায় পারদর্শী না হয়ে থাকেন তাহলেও আপনি কনটেন্ট রাইটিং কাজটি করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন ।

ছাত্রজীবনে 10টি সেরা পার্ট টাইম চাকরি

 

আমাদের বাংলা মাতৃভাষায়ও  লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইট রয়েছে ।  আপনি বিভিন্ন নিউজ পোর্টাল ও ব্লগ ওয়েবসাইটগুলোতে আর্টিকেল লিখে দেওয়ার বিপরীতে অর্থ আয় করতে পারেন ।

 

ফেসবুকে কিছু বিশেষ গ্রুপ রয়েছে আর্টিকেল রাইটারদের জন্য যেখানে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন আর্টিকেল রাইটারদের খোঁজা হয়ে থাকে ।  তাই আপনি যদি সে কমিউনিটিগুলোতে যুক্ত থাকেন তাহলে প্রতিনিয়ত আর্টিকেল রাইটিং এর কাজ করার সুযোগ রয়েছে । 

 

 বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করার কয়েকটি ওয়েবসাইট হলো :

 

  • Mhona.com
  • অর্ডিনারী আইটি
  • গ্রাথোর
  • জে আইটি

 

উপরোক্ত দেওয়া ওয়েবসাইটগুলোতে আপনি বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় আয় করতে পারবেন ।  এই ওয়েবসাইটগুলোতে বাংলা আর্টিকেল লেখার জন্য তাদের ওয়েবসাইটের Contact পেইজের মাধ্যমে যোগাযোগ করুন । 

ছাত্রজীবনে 10টি সেরা পার্ট টাইম চাকরি

৩/ ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেল

 

আজকের আর্টিকেলের একটু উপরেই আপনাদের বলেছিলাম ব্লগিং আপনি দুটি উপায় অবলম্বন করে করতে পারেন তার মধ্যে অন্যতম একটি উপায় ছিল ভিডিও ব্লগিং । 

 

এবং বর্তমানে ভিডিও ব্লগিং করে অর্থ উপার্জন করার সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি প্ল্যাটফরম হচ্ছে ইউটিউব । 

 

ইউটিউব বর্তমান ইন্টারনেট জগতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ।  ইউটিউবে প্রতিমাসে প্রায় ৩৫ বিলিয়ন বার মানুষ ভিজিট করে ।

 

তাহলে বুঝতেই পারছেন বন্ধুরা কি পরিমান ট্রাফিক ইউটিউবে রয়েছে ।  তাই আপনি যদি সঠিক উপায় এবং ইনফরমেটিভ ভিডিওর মাধ্যমে ইউটিউবে মার্কেটিং করতে পারেন তাহলে সুন্দর একটি ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবেন ।

 

ইউটিউব থেকে মূলত বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা যায় ।  ইউটিউব থেকে অর্থ উপার্জন করতে হলে তাদের শর্ত অনুযায়ী ৪ হাজার ঘন্টা ওয়াচ টাইম পূরণ করতে হবে এবং ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে ।

 

তাহলে আপনি ইউটিউব চ্যানেলটি মনিটাইজেশন করার জন্য এপ্লাই করতে পারবেন । এবং মনিটাইজেশন এপ্লাই করার পর আপনার চ্যানেলটি যদি  অ্যাপ্রুভ হয় তাহলে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আপনার চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দেখানো হবে ।

 

এছাড়াও আপনি ইউটিউব চ্যানেলকে কাজে লাগিয়ে লোকাল বিজ্ঞাপন , স্পনসর ,  প্রোডাক্ট বিক্রি ,  অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ইত্যাদিকে অবলম্বন করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন ।

 

একটি ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা করতে যা যা প্রয়োজন :

  • একটি ভালো ক্যামেরাযুক্ত মোবাইল ফোন অথবা কম্পিউটার ।
  • অবশ্যই ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে ।
  • ভিডিও এডিটিং কাজে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে হবে ।
  • ভিডিও গুলোকে কিভাবে মার্কেটিং ও ভাইরাল করা যায় সেটি শিখতে হবে । এছাড়াও গুগল এডসেন্স সম্পর্কে ভালো জ্ঞান অর্জন করতে হবে ।
  •  ইউটিউবের টার্মস এন্ড কন্ডিশন অনুসরণ করতে হবে ।

 

আশা করি উপরোক্ত এই কাজগুলো  নিয়মিত করে যেতে পারলে ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে একটি সুন্দর ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবেন । 

ছাত্রজীবনে 10টি সেরা পার্ট টাইম চাকরি

৪/ ডিজিটাল মার্কেটিং ২০২২

 

বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী ।  সবখানেই এখন ডিজিটাল মার্কেটিং এর ছড়াছড়ি । 

 

বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্য সামগ্রী মার্কেটিং করার ,  ভিডিও মার্কেটিং করা ,  ওয়েবসাইটকে মার্কেটিং করা ইত্যাদি কাজে এখন ডিজিটাল মার্কেটিং প্রচুর চাহিদা রয়েছে ।

 

তাই নিজেকে যদি ডিজিটাল মার্কেটিং কাজের উপর দক্ষ করে তোলা যায় তাহলে সুন্দর একটি ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব ।  ইন্টারন্যাশনাল ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে প্রচুর ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ পাওয়া যায় ।  এবং

 

আমাদের বাংলাদেশ প্রায় ৭ লক্ষ ৫০ হাজার ফ্রিল্যান্সার বিভিন্ন ইন্টারন্যাশনাল ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করছে ।  তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফ্রিল্যান্সার ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কাজ করছে ।

 

এর কারণ হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে যার ফলে সবাই এখন ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হয়ে উঠছে । এবং এর চাহিদা যে দিন দিন আরো বৃদ্ধি পাবে তা নির্দ্বিধায় বলা যায় ।

 

 

কারণ বর্তমানে ছোট বড় সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে নিজেদের কার্যক্রম নিয়ে আসছে ।  সবাই চাচ্ছে এখন অনলাইনে নিজেদের পণ্য ও ব্যবসার প্রচারণা বাড়াতে । 

 

তাই ডিজিটাল মার্কেটিং কাজ শিখে ছাত্রছাত্রীরা ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করে অর্থ উপার্জন করতে পারবে । 

ছাত্রজীবনে 10টি সেরা পার্ট টাইম চাকরি

৫/ গ্রাফিক ডিজাইন করে ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি

 

বর্তমানে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করা আরো একটি দারুন উপায় হল গ্রাফিক ডিজাইন ।  ফ্রিল্যান্সিং জগতে গ্রাফিক ডিজাইনের অনেক বেশি চাহিদা রয়েছে । 

 

গ্রাফিক ডিজাইন কাজটি একটি সৃজনশীল কাজ তাই যারা সব সময় নতুন জিনিস নিয়ে কাজ করতে চান বা আবিষ্কারে যাদের মন সারাক্ষণ পড়ে থাকে তারা গ্রাফিক ডিজাইন কাজটিকে বেছে নিতে পারেন ।

 

বর্তমানে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রচার প্রচারণার জন্য নানান ধরনের ব্যানার, পোস্টার, বিজনেস কার্ড, লোগো, প্রডাক্ট ডিজাইন ইত্যাদি তৈরি করতে হয় । 

 

এবং এইসব  ব্যানার , লোগো , বিজনেস কার্ডগুলো  তৈরি করে থাকে বিভিন্ন  গ্রাফিক ডিজাইনাররা ।

 

যার ফলে গ্রাফিক ডিজাইনারদের রয়েছে প্রচুর চাহিদা ।  ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে গ্রাফিক ডিজাইনারদের আকাশচুম্বী চাহিদা রয়েছে ।  

 

 

তাই ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করতে চাইলে গ্রাফিক ডিজাইনকে বেছে নেওয়ায় একটি সঠিক সিদ্ধান্ত । 

 

ছাত্র অবস্থায় পার্ট টাইম হিসেবে গ্রাফিক ডিজাইন কাজটি করলেও পরবর্তীতে এটিকে ফুলটাইম হিসেবেও করা যেতে পারে । 

 

৬/ ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট

 

ইন্টারনেটে আমরা যতো কিছুই দেখতে পায় তার সবকিছুই মূলত ওয়েবসাইট ।  ফেইসবুক , ইউটিউব ,  গুগোল , ইনস্টাগ্রাম , অ্যামাজন  ইত্যাদি সবগুলোই একেকটি ওয়েবসাইট ।

 

তবে এক একটি ওয়েবসাইটের ক্যাটাগরির মধ্যে ভিন্নতা রয়েছে । কিছু সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট, কিছু সার্চ ইঞ্জিন ওয়েবসাইট, কিছু ই-কমার্স ওয়েবসাইট  ইত্যাদি ।

 

বর্তমানে অনলাইনের প্রসারতা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে এই ওয়েবসাইটগুলোর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ।  

 

বিশেষ করে ২০১৯ সালের শেষের দিকে করোনা ভাইরাসের আক্রমনের পরে সকল ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদেরকে অনলাইনে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে । 

 

বর্তমানে ছোট বড় সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিজেদের কার্যক্রমগুলোকে অনলাইনমুখী করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ।

 

যার জন্য প্রতিটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নিজেদের ওয়েবসাইট তৈরি করছে ।  আর এইসব ওয়েবসাইটগুলো তৈরি করে থাকে বিভিন্ন ধরনের ওয়েব ডিজাইনার ও ডেভেলপাররা ।  

 

তাহলে বুঝতেই পারছেন ওয়েব ডিজাইনারদের কি পরিমান চাহিদা রয়েছে ।

 

তাই নিজেকে যদি এই সেক্টরে একজন ওয়েব ডিজাইনার ও ডেভলপার হিসেবে গড়ে তোলা যায় তাহলে খুব সুন্দর একটি ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব ।

 

ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করতে আগ্রহী হলে ওয়েব ডিজাইন কাজটি শিখা সবচেয়ে সেরা একটি পদক্ষেপ হবে বলে আমি মনে করি । 

 

 

এই কাজটি ছাত্র অবস্থায় থাকাকালীন পার্ট টাইম হিসেবে করলেও পরবর্তীতে এটিকে ফুল টাইম চাকরি হিসেবে নেওয়া যেতে পারে ।

 

এছাড়াও ওয়েব ডিজাইন ওয়েব ডেভলপিং এর মাধ্যমে আরো নানা উপায়ে অর্থ উপার্জন করা যায় যেমন :  ব্লগিং  করা , অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং  ইত্যাদি । 

 

অফলাইন পার্ট টাইম চাকরি ২০২২

 

বন্ধুরা আজকের আর্টিকেলের এই অংশে আপনাদের সাথে কিছু অফলাইন কাজের আইডিয়া শেয়ার করব । অর্থাৎ আপনি অনলাইনের সাহায্য ছাড়াই কাজগুলো করতে পারবেন এবং এর জন্য কোন ধরনের ইন্টারনেট কানেকশন প্রয়োজন হবে না । 

 

তাহলে চলুন বন্ধুরা দেখে নেওয়া যাক আজকের অফলাইন ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরিগুলো : 

 

১/ ছাত্রজীবনে ফটোগ্রাফি পার্ট টাইম চাকরি

 

ছাত্রদের অফলাইনে পার্টটাইম চাকরি করার জন্য জনপ্রিয় একটি কাজ হচ্ছে ফটোগ্রাফি জবস । 

 

বর্তমানে ফটোগ্রাফি জবস এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ।  মানুষ এখন প্রচুর ছবি তুলে থাকে বিশেষ করে কোন উৎসব ,  প্রোগ্রাম বা বিয়ে-শাদীতে অনেক ছবি তোলা হয়ে থাকে ।

 

তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় ভবিষ্যতে যারা এই সেক্টরের সাথে যুক্ত থাকবে তারা ভালো একটি ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবে ।

 

আবার আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছে শখের বশে ফটোগ্রাফি করে থাকে ।  তাই ফটোগ্রাফি যদি আপনার শখের কাজ হয়ে থাকে তাহলে এই শখের কাজটিকে কাজে লাগিয়ে ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করতে পারেন ।

 

তবে ছাত্রজীবনে ফটোগ্রাফি এই জবটি করতে হলে আপনাকে অবশ্যই একটি ডিএসএলআর ( DSLR ) ক্যামেরার প্রয়োজন হবে । 

 

আপনার কাছে যদি একটি ডিএসএলআর ( DSLR ) ক্যামেরা থাকে তাহলে আপনি বিভিন্ন বিয়ে-শাদীর প্রোগ্রামে ফটোশুট করতে পারেন । 

 

 

এছাড়াও আপনার এলাকার সাংবাদিক ভাইদের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারেন এবং তাদের বিভিন্ন সংবাদ ফটোশুট করতে পারেন ।

 

এইসব কাজগুলো করে আপনি প্রতিমাসে ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন । 

 

এবং এই কাজগুলো আপনি দিনের যেকোনো একটি সময়ে করতে পারবেন । তাই ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করার জন্য ফটোগ্রাফি জবস অন্যতম দারুণ একটি উপায় ।

 

এছাড়াও বর্তমানে অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে ছবি বিক্রি করা যায় ।  তাই আপনি আপনার তোলা সুন্দর সুন্দর ছবিগুলো সেই ওয়েবসাইটগুলোতে বিক্রি করতে পারেন ।  

 

ছবি কয়েকটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হলো :

  • Pexels.com
  • Unplash.com
  • Pixabay.com
  • Shutterstock.com
  • Istockphoto.com

 

এই ওয়েবসাইটগুলোতে আপনি আপনার তোলা সুন্দর সুন্দর ছবিগুলো বিক্রি করতে পারবেন । ছবির পাশাপাশি আপনি আপনার তোলা কিছু প্রফেশনাল ভিডিও  এখানে বিক্রি করতে পারবেন ।

 

২/ রাইড শেয়ারিং জবস

 

যেসব ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে একটি বাইক রয়েছে তারা চাইলে বাইক রাইডিং অথবা বাইক শেয়ারিং জবটি করতে পারেন । বর্তমানে অনেকেই নিজেদের বাইকটিকে কাজে লাগিয়ে প্রতি মাসে একটি ভালো পরিমাণে অর্থ উপার্জন করছে ।

 

আপনি দিনের যে সময় ফ্রি থাকেন সে সময় আপনি এই বাইক রাইডিং সার্ভিস দিয়ে কিছু অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করতে পারেন । বাইক রাইডিং এর কাজ হল লোকদেরকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছে দেওয়া ।

 

শুরুর দিকে মানুষ এই কাজটি করতে কিছুটা লজ্জা পেলেও বর্তমানে মানুষ এই কাজকে ভালোভাবেই নিচ্ছে ।  

 

বাংলাদেশে ইতিমধ্যে কিছু জনপ্রিয় অ্যাপস রয়েছে যেগুলোর সাহায্যে আপনি এই বাইক রাইডিং জবটি করতে পারবেন ।

 

বাংলাদেশের ২টি জনপ্রিয় বাইক রাইডিং অ্যাপস হলো :

 

পাঠাও এবং উবার এর মাধ্যমে আপনি বাইক শেয়ারিং এই জবটি  ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি হিসেবে করতে পারেন। 

 

পাঠাও এবং ওভারে বাইক রাইডিং জব করতে হলে যা যা প্রয়োজন হবে :

 

  •  অবশ্যই একটি স্মার্টফোন থাকতে হবে ।
  •  এবং ফোনে পাঠাও এবং  উবার অ্যাপসটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করতে হবে ।
  •  অবশ্যই ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে ।

 

গুরুত্ব এই শর্তগুলো পূরণ করতে পারলেই আপনি পাঠাও এবং ওভারে একজন বাইক রাইডার হিসেবে পার্ট টাইম জব করতে পারবেন । 

 

পাঠাও  এবং উবার এই বাইক রাইডিং কোম্পানিগুলো প্রায় ২০% এর মতো  চার্জ নিয়ে থাকে ।  অর্থাৎ আপনি যদি কোন একজন লোককে একটি গন্তব্যে পৌঁছে দিয়ে ২০০ টাকা পেয়ে থাকেন তাহলে সেখান থেকে পাঠাও ২০% অর্থ্যাৎ ৪০ টাকা চার্জ হিসেবে কেটে নিবে ।

 

তাই ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের অবসর সময়ে ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করে কিছু অর্থ উপার্জন করতে পারবেন । 

 

৩/ প্রাইভেট টিউশনি – Private tuition

 

আপনি যেহেতু আমাদের আজকে ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি এই আর্টিকেলটি পড়ছেন তাহলে এর অর্থ হচ্ছে আপনি একজন ছাত্র ।  তাই ছাত্র হিসেবে আপনার এমন কিছু করা দরকার যা পড়াশোনা সম্পর্কিত ।  

 

তাই ঠিক এমনই একটি কাজ হচ্ছে প্রাইভেট টিউশনি করানোর মাধ্যমে ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করা ।

 

আপনাদের মধ্যে অনেকে হয়ত এখন চিন্তা করছেন প্রাইভেট টিউশন করিয়ে তোহ তেমন বেশি অর্থ উপার্জন করা সম্ভব নয় ।  কিন্তু বন্ধুরা আপনাদের এই চিন্তাটি সঠিক নয় ।

 

কারণ ইতিমধ্যে অনেক ছাত্র-ছাত্রী প্রাইভেট টিউশনি করিয়ে প্রতি মাসে প্রায় ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করতেছে ।

 

আপনি যদি ম্যাথমেটিক্স, বিজ্ঞান, পদার্থ, রসায়ন, ইংরেজি এই বিষয়গুলো পড়াতে পারেন তাহলে ভালো অর্থ উপার্জন করতে পারবেন ।  

 

এছাড়াও আপনি যদি আপনার নিচের ক্লাসের ছাত্র ছাত্রীদের টিউশনি করান সেক্ষেত্রে আপনার দক্ষতা আরো বৃদ্ধি পাবে ।

 

এবং আপনি আপনার পড়াশোনায়ও দিন দিন আরও ভালো করতে থাকবেন । যা আপনার পরবর্তীতে চাকরি জীবনে অনেক সহায়তা করবে ।

 

ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করার আইডিয়াগুলোর মধ্যে আমার কাছে একজন ছাত্র হিসেবে প্রাইভেট টিউশনি পার্ট টাইম চাকরিটি সবচেয়ে ভালো লেগেছে । 

 

অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের পেছনে না ছুটে মোটামুটি কিছু অর্থ আয় হলেও টিউশনি করে পার্ট টাইম চাকরি করা একজন ছাত্রের জন্য উপযুক্ত একটি সিদান্ত আমি মনে করি ।

 

৪/ রেস্টুরেন্ট  / হোটেল অথবা ফ্যাশন হাউজে জবস

 

পার্ট টাইম চাকরিগুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাজ হচ্ছে হোটেল-রেস্টুরেন্ট অথবা ফ্যাশন হাউসে পার্ট টাইমার হিসেবে জব করা ।  

 

আপনি যদি একজন মিশুক প্রকৃতির মানুষ হয়ে থাকেন অথবা লোকজনের সাথে সহজেই মিশে যেতে পারেন সেক্ষেত্রে আপনি এই পার্টটাইম চাকরি করতে পারেন ।

 

তবে এখানে একটি সমস্যা রয়েছে সেটি হল আমাদের অনেক বাংলাদেশী ছাত্র-ছাত্রীদের রয়েছে যারা এই ধরনের hotel-restaurant অথবা ফ্যাশন হাউসে কাজ করাকে অনেক ছোট ও নিচু মানের কাজ মনে  করে ।

 

তারা মনে করে থাকে এই ধরনের কাজ করলে তাদের মান ইজ্জত ও সম্মান নষ্ট হয়ে যাবে । কিন্তু একজন ছাত্র হিসেবে এই ধরনের চিন্তাভাবনা কখনোই ঠিক নয় ।  

 

ছাত্রজীবন হচ্ছে কষ্ট করার সময় এই সময় লজ্জা পেয়ে কাজ করা থেকে নিজেকে বিরত রাখলে ভবিষ্যতে এর ফল খুবই খারাপ হবে ।

 

তাই ছাত্র অবস্থায় থাকাকালীন সকল লজ্জা ভুলে নিজেকে কাজে মনোনিবেশ করতে হবে । 

 

আমাদের  বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যেসব ছাত্র ছাত্রীরা পড়াশোনা করতে যায় তাদের বেশিরভাগই এই হোটেল রেস্টুরেন্ট এবং ফ্যাশন হাউসে দিনের একটি সময়ে ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করে থাকে ।

 

এবং এই ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করে তারা তাদের পড়াশোনার খরচ বহন করে থাকে ।  এবং অনেক সময় তারা তাদের পরিবারকেও সাহায্য করে থাকে ।

 

বাংলাদেশের অনেক ভালো ভালো হোটেল রেস্টুরেন্ট রয়েছে যেগুলোতে ছাত্রছাত্রীরা ইচ্ছা করলেই পার্ট টাইম হিসেবে জব করে পড়াশোনার পাশাপাশি অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করতে পারবে ।

 

সরকারি বিভিন্ন যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে হোটেল রেস্টুরেন্টে চাকরি করার জন্য প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে । এই প্রশিক্ষণগুলো শেষ করার পরে বিভিন্ন ফাইভ স্টার হোটেলগুলোতে জব পাওয়া যায় ।

 

তাই ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি হিসেবে ছাত্র-ছাত্রীরা হোটেল রেস্টুরেন্ট ও ফ্যাশন হাউজে কাজ করে নিজেদের খরচ বহন করার পাশাপাশি পরিবারকেও সাহায্য করতে পারবে । 

 

মেয়েদের পার্ট টাইম জব ২০২২

 

আমাদের আজকের ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি আর্টিকেলে দেওয়া সবগুলো কাজই মেয়েরা করতে পারবে । তবে আমাদের বাংলাদেশের মতো রক্ষণশীল সমাজে যে অফলাইন পার্টটাইম কাজের আইডিয়াগুলো দেওয়া হয়েছে তা করতে হয়তো কষ্ট হবে ।

 

কিন্তু আর্টিকেল এর শুরুতে অনলাইনের মাধ্যমে যে পার্টটাইম চাকরির আইডিয়া দেওয়া হয়েছে তার সবগুলোই মেয়েরা ঘরে বসেই পার্ট টাইম হিসেবে চাকরি করতে পারবে ।

 

পরিশেষে – Conclusions

 

বন্ধুরা আজকের ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি আর্টিকেলটিতে প্রায় ১০টি দারুন চাকরির আইডিয়া শেয়ার করা হয়েছে । যেগুলোকে কাজে লাগিয়ে ছাত্রছাত্রীরা তাদের পড়াশোনার পাশাপাশি অর্থ উপার্জন করতে পারবে এবং নিজেদের পড়াশোনা খরচ বহন করতে পারবে ।

 

এছাড়াও আজকের আর্টিকেলে দেওয়া প্রতিটি আইডিয়াগুলোকে ছাত্র-ছাত্রীরা কাজে লাগিয়ে পরবর্তীতে ফুলটাইমার হিসেবেও কাজ করতে পারবে । 

 

এবং আজকের আর্টিকেলে দেওয়া প্রতিটি কাজ স্কিলফুল জবস হওয়ার কারণে তা ছাত্র-ছাত্রীদের পরবর্তী চাকরি ও ব্যবসায়িক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে ।

 

আমাদের আজকের আর্টিকেলটি বন্ধুরা আপনাদের কাছে ভাল লেগে থাকলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে শেয়ার করতে পারেন এবং নিচে থাকা কমেন্ট বক্সে আপনার মূল্যবান মন্তব্য জানাতে পারেন । 

 

আপনাদের করা একটি শেয়ার ও কমেন্ট আমাদেরকে পরবর্তী আর্টিকেল লেখার জন্য অনুপ্রেরণা ও উৎসাহিত করে থাকে । তাই আর্টিকেলটি বেশি বেশি শেয়ার করে আমাদের সাহায্য করতে পারেন ধন্যবাদ । 

পার্ট টাইম চাকরি কি ? 

 

পার্টটাইম একটি ইংরেজী শব্দ যার বাংলা প্রতিশব্দ হচ্ছে সময়ের অংশ । আমরা জানি এক দিন সমান ২৪ ঘন্টা এবং এই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কিছুটা সময় বের করে কোনো একটি কাজে কয়েক ঘন্টা সময় ব্যয় করে অর্থ উপার্জন করাকেই পার্ট টাইম জব বলা হয় । 

 

আর ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের পড়াশোনার পাশাপাশি কিছুটা সময় বের করে কোন চাকরি করে সেখান থেকে অর্থ উপার্জন করাকেই মূলত ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি বলা হয় । 

 

পার্ট টাইম চাকরির প্রকারভেদ 

 

ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি আপনি প্রধানত দুটি উপায় অবলম্বন করে করতে পারবেন ।  

 

তাদের মধ্যে অন্যতম দুটি উপায় হল :

 

  • অনলাইন পার্ট টাইম চাকরি এবং
  • অফলাইন পার্ট টাইম চাকরি

 

অনলাইন এবং অফলাইন এই দুটি মাধ্যমে একজন ছাত্র ও ছাত্রী ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করে পড়াশোনার পাশাপাশি অতিরিক্ত কিছু অর্থ উপার্জন করতে পারবে । 

 

তাই আমাদের আজকের আর্টিকেলে আমরা অনলাইন এবং অফলাইন উপায়কে ব্যবহার করে কিভাবে ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করব ।  

 

তাই ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে হলে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন ।

 

অনলাইনে ঘরে বসে পার্ট টাইম জব ২০২২

 

বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগ এবং এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে অনলাইনের প্রসারতা দিনদিন জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে ।  তাই এখন অনলাইনের মাধ্যমে ব্যবসা ও চাকরি করার প্রবণতাটাও বেড়েছে ।  

 

আজকের আর্টিকেলের এই অংশে আপনাদের সাথে কিছু ঘরে বসে অনলাইনে পার্ট টাইম চাকরি করা যায় এমন আইডিয়া শেয়ার করব ।  

 

তাহলে বন্ধুরা চলুন দেখে নেয়া যাক অনলাইনে ঘরে বসে পার্ট টাইম জব গুলো :

 

১/ ব্লগিং করে ইনকাম 

 

বর্তমানে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করা বা টাকা ইনকাম করার হাজার হাজার উপায় রয়েছে ।  কিন্তু তাদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি উপায় হচ্ছে ব্লগিং করে অর্থ উপার্জন করা ।  

 

অনলাইনে ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করা বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ট্রেন্ডিং একটি উপায় হয়ে উঠেছে ।

 

আপনি যে বর্তমানে আমার এই ব্লগ পোস্টটি পড়ছেন তার মাধ্যমেও আমি অর্থ উপার্জন করছি । আপনি হয়তো আমার এই ব্লগ পোস্টের মধ্যে নানান ধরনের বিজ্ঞাপন দেখতে পাচ্ছেন ।  

 

মূলত আমি এই বিজ্ঞাপনগুলোর মাধ্যমেই আমার ব্লগ ওয়েবসাইট থেকে অর্থ উপার্জন হচ্ছে ।

 

ব্লগিং করে আরও নানান উপায়ে অর্থ উপার্জন করা যায় যেমন : আফিলিয়েট মারকেটিং , গুগল এডসেন্স সাবস্ক্রিপশন , স্পনসর , লোকাল বিজ্ঞাপন , প্রমোটিং ইত্যাদি উপায় অবলম্বন করে ব্লগিংয়ের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা যায় ।

 

তবে সবচেয়ে বর্তমানে জনপ্রিয় হচ্ছে গুগল এডসেন্স ও এফিলিয়েট মার্কেটিং ।   বর্তমানে সারাবিশ্বের ব্লগাররা তাদের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে ।

 

ব্লগিং আপনি দুটি উপায়ে করতে পারেন । যেমন : 

১/  ওয়েবসাইটের লেখালেখির মাধ্যমে ব্লগিং করা এবং

২/   ভিডিও ব্লগিং করা ।

 

লিখালিখি করে ব্লগিং করতে হলে আপনার অবশ্যই একটি ওয়েবসাইটের প্রয়োজন হবে ।  অন্যদিকে আপনি যদি ভিডিও ব্লগিং করতে চান সেক্ষেত্রে আপনি ইউটিউব , ফেইসবুক , টিকটক , ইনস্টাগ্রাম  ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ব্যবহার করতে পারেন ।

 

তাই আপনি যদি একজন লেখক হয়ে থাকেন অথবা লেখালেখি যদি আপনার শখ হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে আপনি এই শখের কাজটিকে কাজে লাগিয়ে অর্থ উপার্জনের একটি মাধ্যম তৈরি করতে পারেন ।

 

 ব্লগিং করার জন্য যা যা দরকার :

  •  একটি প্রফেশনাল ব্লগিং ওয়েবসাইট ।
  •  কানেকশন যুক্ত কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ প্রয়োজন হবে ।
  •  আর্টিকেল লেখার উপর নিজেকে দক্ষ করে তোলা ।
  •  এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কাজে নিজেকে দক্ষ করতে হবে ।

 

উপরোক্ত এই কাজগুলো শিখে নিতে পারলে আপনি ব্লগিং করে দ্রুতই সফল হতে পারবেন ।  এবং ঘরে বসেই  ব্লগিং করার মাধ্যমে ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করতে পারবেন ।

 

২/ কনটেন্ট রাইটিং পার্ট টাইম জবস

 

আপনি যদি কোন একটি বিষয়কে ভালোভাবে গুছিয়ে আর্টিকেল আকারে লিখতে পারেন তাহলে কনটেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে পার্ট টাইম জব করতে পারেন । 

 

ইন্টারনেটে কোটি কোটি ওয়েবসাইট রয়েছে এবং এইসব ওয়েবসাইটের জন্য প্রতিনিয়ত শত শত আর্টিকেল এর প্রয়োজন হয় ।

 

এবং এই আর্টিকেলগুলো লিখে থাকেন বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট রাইটাররা ।  যার ফলে কনটেন্ট রাইটারদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে । বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে কন্টেন্ট রাইটিং এর উপর প্রচুর কাজ পাওয়া যায় ।

 

বিশেষ করে আপনি যদি ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হয়ে থাকেন এবং কোন গ্রামাটিক্যাল ভুল যদি আপনার লেখায় না থাকে তাহলে আপনি সহজেই কন্টেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে একটি সুন্দর ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবেন ।

 

এর কারণ হচ্ছে ইংরেজি ভাষায় একটি ১০০০ শব্দের আর্টিকেল লিখে দেওয়ার বিপরীতে মার্কেটপ্লেসগুলোতে প্রায় ৫০ থেকে ২০০ ডলার  পর্যন্ত আয় করা যায় । 

 

এছাড়াও আপনি যদি ইংরেজি ভাষায় পারদর্শী না হয়ে থাকেন তাহলেও আপনি কনটেন্ট রাইটিং কাজটি করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন ।

 

আমাদের বাংলা মাতৃভাষায়ও  লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইট রয়েছে ।  আপনি বিভিন্ন নিউজ পোর্টাল ও ব্লগ ওয়েবসাইটগুলোতে আর্টিকেল লিখে দেওয়ার বিপরীতে অর্থ আয় করতে পারেন ।

 

ফেসবুকে কিছু বিশেষ গ্রুপ রয়েছে আর্টিকেল রাইটারদের জন্য যেখানে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন আর্টিকেল রাইটারদের খোঁজা হয়ে থাকে ।  তাই আপনি যদি সে কমিউনিটিগুলোতে যুক্ত থাকেন তাহলে প্রতিনিয়ত আর্টিকেল রাইটিং এর কাজ করার সুযোগ রয়েছে । 

 

 বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করার কয়েকটি ওয়েবসাইট হলো :

 

  • অর্ডিনারী আইটি
  • গ্রাথোর
  • জে আইটি

 

উপরোক্ত দেওয়া ওয়েবসাইটগুলোতে আপনি বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় আয় করতে পারবেন ।  এই ওয়েবসাইটগুলোতে বাংলা আর্টিকেল লেখার জন্য তাদের ওয়েবসাইটের Contact পেইজের মাধ্যমে যোগাযোগ করুন । 

 

৩/ ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেল

 

আজকের আর্টিকেলের একটু উপরেই আপনাদের বলেছিলাম ব্লগিং আপনি দুটি উপায় অবলম্বন করে করতে পারেন তার মধ্যে অন্যতম একটি উপায় ছিল ভিডিও ব্লগিং । 

 

এবং বর্তমানে ভিডিও ব্লগিং করে অর্থ উপার্জন করার সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি প্ল্যাটফরম হচ্ছে ইউটিউব । 

 

ইউটিউব বর্তমান ইন্টারনেট জগতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ।  ইউটিউবে প্রতিমাসে প্রায় ৩৫ বিলিয়ন বার মানুষ ভিজিট করে ।

 

তাহলে বুঝতেই পারছেন বন্ধুরা কি পরিমান ট্রাফিক ইউটিউবে রয়েছে ।  তাই আপনি যদি সঠিক উপায় এবং ইনফরমেটিভ ভিডিওর মাধ্যমে ইউটিউবে মার্কেটিং করতে পারেন তাহলে সুন্দর একটি ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবেন ।

 

ইউটিউব থেকে মূলত বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা যায় ।  ইউটিউব থেকে অর্থ উপার্জন করতে হলে তাদের শর্ত অনুযায়ী ৪ হাজার ঘন্টা ওয়াচ টাইম পূরণ করতে হবে এবং ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে ।

 

তাহলে আপনি ইউটিউব চ্যানেলটি মনিটাইজেশন করার জন্য এপ্লাই করতে পারবেন । এবং মনিটাইজেশন এপ্লাই করার পর আপনার চ্যানেলটি যদি  অ্যাপ্রুভ হয় তাহলে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আপনার চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দেখানো হবে ।

 

এছাড়াও আপনি ইউটিউব চ্যানেলকে কাজে লাগিয়ে লোকাল বিজ্ঞাপন , স্পনসর ,  প্রোডাক্ট বিক্রি ,  অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ইত্যাদিকে অবলম্বন করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন ।

 

একটি ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা করতে যা যা প্রয়োজন :

  • একটি ভালো ক্যামেরাযুক্ত মোবাইল ফোন অথবা কম্পিউটার ।
  • অবশ্যই ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে ।
  • ভিডিও এডিটিং কাজে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে হবে ।
  • ভিডিও গুলোকে কিভাবে মার্কেটিং ও ভাইরাল করা যায় সেটি শিখতে হবে । এছাড়াও গুগল এডসেন্স সম্পর্কে ভালো জ্ঞান অর্জন করতে হবে ।
  •  ইউটিউবের টার্মস এন্ড কন্ডিশন অনুসরণ করতে হবে ।

 

আশা করি উপরোক্ত এই কাজগুলো  নিয়মিত করে যেতে পারলে ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে একটি সুন্দর ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবেন । 

 

৪/ ডিজিটাল মার্কেটিং ২০২২

 

বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী ।  সবখানেই এখন ডিজিটাল মার্কেটিং এর ছড়াছড়ি । 

 

বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্য সামগ্রী মার্কেটিং করার ,  ভিডিও মার্কেটিং করা ,  ওয়েবসাইটকে মার্কেটিং করা ইত্যাদি কাজে এখন ডিজিটাল মার্কেটিং প্রচুর চাহিদা রয়েছে ।

 

তাই নিজেকে যদি ডিজিটাল মার্কেটিং কাজের উপর দক্ষ করে তোলা যায় তাহলে সুন্দর একটি ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব ।  ইন্টারন্যাশনাল ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে প্রচুর ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ পাওয়া যায় ।  এবং

 

আমাদের বাংলাদেশ প্রায় ৭ লক্ষ ৫০ হাজার ফ্রিল্যান্সার বিভিন্ন ইন্টারন্যাশনাল ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করছে ।  তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফ্রিল্যান্সার ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কাজ করছে ।

 

এর কারণ হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে যার ফলে সবাই এখন ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হয়ে উঠছে । এবং এর চাহিদা যে দিন দিন আরো বৃদ্ধি পাবে তা নির্দ্বিধায় বলা যায় ।

 

 

কারণ বর্তমানে ছোট বড় সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে নিজেদের কার্যক্রম নিয়ে আসছে ।  সবাই চাচ্ছে এখন অনলাইনে নিজেদের পণ্য ও ব্যবসার প্রচারণা বাড়াতে । 

 

তাই ডিজিটাল মার্কেটিং কাজ শিখে ছাত্রছাত্রীরা ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করে অর্থ উপার্জন করতে পারবে । 

 

৫/ গ্রাফিক ডিজাইন করে ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি

 

বর্তমানে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করা আরো একটি দারুন উপায় হল গ্রাফিক ডিজাইন ।  ফ্রিল্যান্সিং জগতে গ্রাফিক ডিজাইনের অনেক বেশি চাহিদা রয়েছে । 

 

গ্রাফিক ডিজাইন কাজটি একটি সৃজনশীল কাজ তাই যারা সব সময় নতুন জিনিস নিয়ে কাজ করতে চান বা আবিষ্কারে যাদের মন সারাক্ষণ পড়ে থাকে তারা গ্রাফিক ডিজাইন কাজটিকে বেছে নিতে পারেন ।

 

বর্তমানে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রচার প্রচারণার জন্য নানান ধরনের ব্যানার, পোস্টার, বিজনেস কার্ড, লোগো, প্রডাক্ট ডিজাইন ইত্যাদি তৈরি করতে হয় । 

 

এবং এইসব  ব্যানার , লোগো , বিজনেস কার্ডগুলো  তৈরি করে থাকে বিভিন্ন  গ্রাফিক ডিজাইনাররা ।

 

যার ফলে গ্রাফিক ডিজাইনারদের রয়েছে প্রচুর চাহিদা ।  ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে গ্রাফিক ডিজাইনারদের আকাশচুম্বী চাহিদা রয়েছে ।  

 

তাই ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করতে চাইলে গ্রাফিক ডিজাইনকে বেছে নেওয়ায় একটি সঠিক সিদ্ধান্ত । 

 

ছাত্র অবস্থায় পার্ট টাইম হিসেবে গ্রাফিক ডিজাইন কাজটি করলেও পরবর্তীতে এটিকে ফুলটাইম হিসেবেও করা যেতে পারে । 

 

৬/ ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট

 

ইন্টারনেটে আমরা যতো কিছুই দেখতে পায় তার সবকিছুই মূলত ওয়েবসাইট ।  ফেইসবুক , ইউটিউব ,  গুগোল , ইনস্টাগ্রাম , অ্যামাজন  ইত্যাদি সবগুলোই একেকটি ওয়েবসাইট ।

 

তবে এক একটি ওয়েবসাইটের ক্যাটাগরির মধ্যে ভিন্নতা রয়েছে । কিছু সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট, কিছু সার্চ ইঞ্জিন ওয়েবসাইট, কিছু ই-কমার্স ওয়েবসাইট  ইত্যাদি ।

 

বর্তমানে অনলাইনের প্রসারতা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে এই ওয়েবসাইটগুলোর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ।  

 

বিশেষ করে ২০১৯ সালের শেষের দিকে করোনা ভাইরাসের আক্রমনের পরে সকল ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদেরকে অনলাইনে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে । 

 

বর্তমানে ছোট বড় সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিজেদের কার্যক্রমগুলোকে অনলাইনমুখী করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ।

 

যার জন্য প্রতিটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নিজেদের ওয়েবসাইট তৈরি করছে ।  আর এইসব ওয়েবসাইটগুলো তৈরি করে থাকে বিভিন্ন ধরনের ওয়েব ডিজাইনার ও ডেভেলপাররা ।  

 

তাহলে বুঝতেই পারছেন ওয়েব ডিজাইনারদের কি পরিমান চাহিদা রয়েছে ।

 

তাই নিজেকে যদি এই সেক্টরে একজন ওয়েব ডিজাইনার ও ডেভলপার হিসেবে গড়ে তোলা যায় তাহলে খুব সুন্দর একটি ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব ।

 

ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করতে আগ্রহী হলে ওয়েব ডিজাইন কাজটি শিখা সবচেয়ে সেরা একটি পদক্ষেপ হবে বলে আমি মনে করি । 

 

এই কাজটি ছাত্র অবস্থায় থাকাকালীন পার্ট টাইম হিসেবে করলেও পরবর্তীতে এটিকে ফুল টাইম চাকরি হিসেবে নেওয়া যেতে পারে ।

 

এছাড়াও ওয়েব ডিজাইন ওয়েব ডেভলপিং এর মাধ্যমে আরো নানা উপায়ে অর্থ উপার্জন করা যায় যেমন :  ব্লগিং  করা , অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং  ইত্যাদি । 

 

অফলাইন পার্ট টাইম চাকরি ২০২২

 

বন্ধুরা আজকের আর্টিকেলের এই অংশে আপনাদের সাথে কিছু অফলাইন কাজের আইডিয়া শেয়ার করব । অর্থাৎ আপনি অনলাইনের সাহায্য ছাড়াই কাজগুলো করতে পারবেন এবং এর জন্য কোন ধরনের ইন্টারনেট কানেকশন প্রয়োজন হবে না । 

 

তাহলে চলুন বন্ধুরা দেখে নেওয়া যাক আজকের অফলাইন ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরিগুলো : 

 

১/ ছাত্রজীবনে ফটোগ্রাফি পার্ট টাইম চাকরি

 

ছাত্রদের অফলাইনে পার্টটাইম চাকরি করার জন্য জনপ্রিয় একটি কাজ হচ্ছে ফটোগ্রাফি জবস । 

 

বর্তমানে ফটোগ্রাফি জবস এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ।  মানুষ এখন প্রচুর ছবি তুলে থাকে বিশেষ করে কোন উৎসব ,  প্রোগ্রাম বা বিয়ে-শাদীতে অনেক ছবি তোলা হয়ে থাকে ।

 

তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় ভবিষ্যতে যারা এই সেক্টরের সাথে যুক্ত থাকবে তারা ভালো একটি ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবে ।

 

আবার আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছে শখের বশে ফটোগ্রাফি করে থাকে ।  তাই ফটোগ্রাফি যদি আপনার শখের কাজ হয়ে থাকে তাহলে এই শখের কাজটিকে কাজে লাগিয়ে ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করতে পারেন ।

 

তবে ছাত্রজীবনে ফটোগ্রাফি এই জবটি করতে হলে আপনাকে অবশ্যই একটি ডিএসএলআর ( DSLR ) ক্যামেরার প্রয়োজন হবে । 

 

আপনার কাছে যদি একটি ডিএসএলআর ( DSLR ) ক্যামেরা থাকে তাহলে আপনি বিভিন্ন বিয়ে-শাদীর প্রোগ্রামে ফটোশুট করতে পারেন । 

 

 

এছাড়াও আপনার এলাকার সাংবাদিক ভাইদের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারেন এবং তাদের বিভিন্ন সংবাদ ফটোশুট করতে পারেন ।

 

এইসব কাজগুলো করে আপনি প্রতিমাসে ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন । 

 

এবং এই কাজগুলো আপনি দিনের যেকোনো একটি সময়ে করতে পারবেন । তাই ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করার জন্য ফটোগ্রাফি জবস অন্যতম দারুণ একটি উপায় ।

 

এছাড়াও বর্তমানে অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে ছবি বিক্রি করা যায় ।  তাই আপনি আপনার তোলা সুন্দর সুন্দর ছবিগুলো সেই ওয়েবসাইটগুলোতে বিক্রি করতে পারেন ।  

 

ছবি কয়েকটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হলো :

  • Pexels.com
  • Unplash.com
  • Pixabay.com
  • Shutterstock.com
  • Istockphoto.com

 

এই ওয়েবসাইটগুলোতে আপনি আপনার তোলা সুন্দর সুন্দর ছবিগুলো বিক্রি করতে পারবেন । ছবির পাশাপাশি আপনি আপনার তোলা কিছু প্রফেশনাল ভিডিও  এখানে বিক্রি করতে পারবেন ।

 

২/ রাইড শেয়ারিং জবস

 

যেসব ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে একটি বাইক রয়েছে তারা চাইলে বাইক রাইডিং অথবা বাইক শেয়ারিং জবটি করতে পারেন । বর্তমানে অনেকেই নিজেদের বাইকটিকে কাজে লাগিয়ে প্রতি মাসে একটি ভালো পরিমাণে অর্থ উপার্জন করছে ।

 

আপনি দিনের যে সময় ফ্রি থাকেন সে সময় আপনি এই বাইক রাইডিং সার্ভিস দিয়ে কিছু অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করতে পারেন । বাইক রাইডিং এর কাজ হল লোকদেরকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছে দেওয়া ।

 

 

শুরুর দিকে মানুষ এই কাজটি করতে কিছুটা লজ্জা পেলেও বর্তমানে মানুষ এই কাজকে ভালোভাবেই নিচ্ছে ।  

 

বাংলাদেশে ইতিমধ্যে কিছু জনপ্রিয় অ্যাপস রয়েছে যেগুলোর সাহায্যে আপনি এই বাইক রাইডিং জবটি করতে পারবেন ।

 

বাংলাদেশের ২টি জনপ্রিয় বাইক রাইডিং অ্যাপস হলো :

 

পাঠাও এবং উবার এর মাধ্যমে আপনি বাইক শেয়ারিং এই জবটি  ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি হিসেবে করতে পারেন। 

 

পাঠাও এবং ওভারে বাইক রাইডিং জব করতে হলে যা যা প্রয়োজন হবে :

 

  •  অবশ্যই একটি স্মার্টফোন থাকতে হবে ।
  •  এবং ফোনে পাঠাও এবং  উবার অ্যাপসটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করতে হবে ।
  •  অবশ্যই ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে ।

 

গুরুত্ব এই শর্তগুলো পূরণ করতে পারলেই আপনি পাঠাও এবং ওভারে একজন বাইক রাইডার হিসেবে পার্ট টাইম জব করতে পারবেন । 

 

পাঠাও  এবং উবার এই বাইক রাইডিং কোম্পানিগুলো প্রায় ২০% এর মতো  চার্জ নিয়ে থাকে ।  অর্থাৎ আপনি যদি কোন একজন লোককে একটি গন্তব্যে পৌঁছে দিয়ে ২০০ টাকা পেয়ে থাকেন তাহলে সেখান থেকে পাঠাও ২০% অর্থ্যাৎ ৪০ টাকা চার্জ হিসেবে কেটে নিবে ।

 

তাই ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের অবসর সময়ে ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করে কিছু অর্থ উপার্জন করতে পারবেন । 

 

৩/ প্রাইভেট টিউশনি – Private tuition

 

আপনি যেহেতু আমাদের আজকে ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি এই আর্টিকেলটি পড়ছেন তাহলে এর অর্থ হচ্ছে আপনি একজন ছাত্র ।  তাই ছাত্র হিসেবে আপনার এমন কিছু করা দরকার যা পড়াশোনা সম্পর্কিত ।  

 

তাই ঠিক এমনই একটি কাজ হচ্ছে প্রাইভেট টিউশনি করানোর মাধ্যমে ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করা ।

 

আপনাদের মধ্যে অনেকে হয়ত এখন চিন্তা করছেন প্রাইভেট টিউশন করিয়ে তোহ তেমন বেশি অর্থ উপার্জন করা সম্ভব নয় ।  কিন্তু বন্ধুরা আপনাদের এই চিন্তাটি সঠিক নয় ।

 

কারণ ইতিমধ্যে অনেক ছাত্র-ছাত্রী প্রাইভেট টিউশনি করিয়ে প্রতি মাসে প্রায় ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করতেছে ।

 

আপনি যদি ম্যাথমেটিক্স, বিজ্ঞান, পদার্থ, রসায়ন, ইংরেজি এই বিষয়গুলো পড়াতে পারেন তাহলে ভালো অর্থ উপার্জন করতে পারবেন ।  

 

এছাড়াও আপনি যদি আপনার নিচের ক্লাসের ছাত্র ছাত্রীদের টিউশনি করান সেক্ষেত্রে আপনার দক্ষতা আরো বৃদ্ধি পাবে ।

 

এবং আপনি আপনার পড়াশোনায়ও দিন দিন আরও ভালো করতে থাকবেন । যা আপনার পরবর্তীতে চাকরি জীবনে অনেক সহায়তা করবে ।

 

ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করার আইডিয়াগুলোর মধ্যে আমার কাছে একজন ছাত্র হিসেবে প্রাইভেট টিউশনি পার্ট টাইম চাকরিটি সবচেয়ে ভালো লেগেছে । 

 

অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের পেছনে না ছুটে মোটামুটি কিছু অর্থ আয় হলেও টিউশনি করে পার্ট টাইম চাকরি করা একজন ছাত্রের জন্য উপযুক্ত একটি সিদান্ত আমি মনে করি ।

 

৪/ রেস্টুরেন্ট  / হোটেল অথবা ফ্যাশন হাউজে জবস

 

পার্ট টাইম চাকরিগুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাজ হচ্ছে হোটেল-রেস্টুরেন্ট অথবা ফ্যাশন হাউসে পার্ট টাইমার হিসেবে জব করা ।  

 

আপনি যদি একজন মিশুক প্রকৃতির মানুষ হয়ে থাকেন অথবা লোকজনের সাথে সহজেই মিশে যেতে পারেন সেক্ষেত্রে আপনি এই পার্টটাইম চাকরি করতে পারেন ।

 

তবে এখানে একটি সমস্যা রয়েছে সেটি হল আমাদের অনেক বাংলাদেশী ছাত্র-ছাত্রীদের রয়েছে যারা এই ধরনের hotel-restaurant অথবা ফ্যাশন হাউসে কাজ করাকে অনেক ছোট ও নিচু মানের কাজ মনে  করে ।

 

তারা মনে করে থাকে এই ধরনের কাজ করলে তাদের মান ইজ্জত ও সম্মান নষ্ট হয়ে যাবে । কিন্তু একজন ছাত্র হিসেবে এই ধরনের চিন্তাভাবনা কখনোই ঠিক নয় ।  

 

ছাত্রজীবন হচ্ছে কষ্ট করার সময় এই সময় লজ্জা পেয়ে কাজ করা থেকে নিজেকে বিরত রাখলে ভবিষ্যতে এর ফল খুবই খারাপ হবে ।

ছাত্রজীবনে 10টি সেরা পার্ট টাইম চাকরি

 

তাই ছাত্র অবস্থায় থাকাকালীন সকল লজ্জা ভুলে নিজেকে কাজে মনোনিবেশ করতে হবে । 

 

আমাদের  বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যেসব ছাত্র ছাত্রীরা পড়াশোনা করতে যায় তাদের বেশিরভাগই এই হোটেল রেস্টুরেন্ট এবং ফ্যাশন হাউসে দিনের একটি সময়ে ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করে থাকে ।

 

এবং এই ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করে তারা তাদের পড়াশোনার খরচ বহন করে থাকে ।  এবং অনেক সময় তারা তাদের পরিবারকেও সাহায্য করে থাকে ।

 

বাংলাদেশের অনেক ভালো ভালো হোটেল রেস্টুরেন্ট রয়েছে যেগুলোতে ছাত্রছাত্রীরা ইচ্ছা করলেই পার্ট টাইম হিসেবে জব করে পড়াশোনার পাশাপাশি অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করতে পারবে ।

 

সরকারি বিভিন্ন যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে হোটেল রেস্টুরেন্টে চাকরি করার জন্য প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে । এই প্রশিক্ষণগুলো শেষ করার পরে বিভিন্ন ফাইভ স্টার হোটেলগুলোতে জব পাওয়া যায় ।

 

তাই ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি হিসেবে ছাত্র-ছাত্রীরা হোটেল রেস্টুরেন্ট ও ফ্যাশন হাউজে কাজ করে নিজেদের খরচ বহন করার পাশাপাশি পরিবারকেও সাহায্য করতে পারবে । 

 

মেয়েদের পার্ট টাইম জব ২০২২

 

আমাদের আজকের ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি আর্টিকেলে দেওয়া সবগুলো কাজই মেয়েরা করতে পারবে । তবে আমাদের বাংলাদেশের মতো রক্ষণশীল সমাজে যে অফলাইন পার্টটাইম কাজের আইডিয়াগুলো দেওয়া হয়েছে তা করতে হয়তো কষ্ট হবে ।

 

কিন্তু আর্টিকেল এর শুরুতে অনলাইনের মাধ্যমে যে পার্টটাইম চাকরির আইডিয়া দেওয়া হয়েছে তার সবগুলোই মেয়েরা ঘরে বসেই পার্ট টাইম হিসেবে চাকরি করতে পারবে ।

 

পরিশেষে – Conclusions

 

বন্ধুরা আজকের ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি আর্টিকেলটিতে প্রায় ১০টি দারুন চাকরির আইডিয়া শেয়ার করা হয়েছে । যেগুলোকে কাজে লাগিয়ে ছাত্রছাত্রীরা তাদের পড়াশোনার পাশাপাশি অর্থ উপার্জন করতে পারবে এবং নিজেদের পড়াশোনা খরচ বহন করতে পারবে ।

 

এছাড়াও আজকের আর্টিকেলে দেওয়া প্রতিটি আইডিয়াগুলোকে ছাত্র-ছাত্রীরা কাজে লাগিয়ে পরবর্তীতে ফুলটাইমার হিসেবেও কাজ করতে পারবে । 

 

এবং আজকের আর্টিকেলে দেওয়া প্রতিটি কাজ স্কিলফুল জবস হওয়ার কারণে তা ছাত্র-ছাত্রীদের পরবর্তী চাকরি ও ব্যবসায়িক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে ।

 

আমাদের আজকের আর্টিকেলটি বন্ধুরা আপনাদের কাছে ভাল লেগে থাকলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে শেয়ার করতে পারেন এবং নিচে থাকা কমেন্ট বক্সে আপনার মূল্যবান মন্তব্য জানাতে পারেন । 

 

আপনাদের করা একটি শেয়ার ও কমেন্ট আমাদেরকে পরবর্তী আর্টিকেল লেখার জন্য অনুপ্রেরণা ও উৎসাহিত করে থাকে । তাই আর্টিকেলটি বেশি বেশি শেয়ার করে আমাদের সাহায্য করতে পারেন ধন্যবাদ । 

আরো দেখুন: সাপ্তাহিক চাকরির ডাক


আরোও পড়তে পারেন:

About eservicesbd

Check Also

জন্ম নিবন্ধন হারিয়ে গেলে করণীয় কি

জন্ম নিবন্ধন হারিয়ে গেলে করণীয়

জন্ম নিবন্ধন হারিয়ে গেলে করণীয় কি এই সম্পর্কে জানতে অনেকেই গুগল সার্চ করে থাকেন। বর্তমান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *